সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের জগতে নতুন সম্ভাবনার আলো নিয়ে নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার অঙ্গীকারে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো আধুনিক গণমাধ্যম “এশিয়া পোস্ট”।
সোমবার (১১ মে) সকালে সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের হলরুমে আয়োজিত এক প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এশিয়া পোস্টের শুভ উদ্বোধন সম্পন্ন হয়। সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি হারুন অর রশিদ খান হাসানের সভাপতিত্বে এবং দপ্তর সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ এনামুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এশিয়া পোস্টের সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মো: রানা আহমেদ।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিরাজগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজরান রউফ। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মামুন খান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমান দুলাল, সহ-সভাপতি আব্দুল কাদের, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা মোস্তফা জামান, সাত্তার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী মো: আব্দুস সাত্তার সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফজলে খোদা লিটন, দৈনিক কলম সৈনিক পত্রিকার প্রধান সম্পাদক আব্দুল হামিদ খান, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি হীরক গুণ, যুগ্ম -সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ দেওয়ান রাজু এবং সাংগঠনিক সম্পাদক রহমত আলী।
বক্তারা বলেন,সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে এশিয়া পোস্ট অচিরেই গণমানুষের আস্থা অর্জন করবে। সমাজের নানা অসঙ্গতি,দুর্নীতি ও অনিয়ম তুলে ধরে ইতিবাচক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এ গণমাধ্যম। বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সময়ে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন। এশিয়া পোস্ট সবসময় সত্যের পক্ষে থেকে সাহসিকতার সঙ্গে সংবাদ পরিবেশন করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি ।
উল্লেখ্য:অনুষ্ঠান ঘিরে পুরো প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। অতিথিবৃন্দ ফিতা কেটে ও কেক কেটে এশিয়া পোস্টের আনুষ্ঠানিক যাত্রার শুভ সূচনা করেন। এসময় উপস্থিত অতিথি, সাংবাদিক ও শুভানুধ্যায়ীদের মাঝে আনন্দঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়।
নতুন এ পথচলায় এশিয়া পোস্ট সত্য, ন্যায় ও মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে গণমাধ্যম জগতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন উপস্থিত সকলে।

উল্লাপাড়ায় পূর্ব বিরোধের জেরে ঘুমন্ত অবস্থায় একজনকে কুপিয়ে হত্যা
- উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০১:১৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬


২য় ইনিংসেও ব্যর্থ ওপেনিং জুটি, আবারও হাল ধরলেন শান্ত-মুমিনুল জুটি
- ক্রীড়া ডেস্ক। জনতারকণ্ঠ.কম।
- আপডেট টাইম : ১২:৫৪:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ বড় সংগ্রহ পেলেও ব্যাট হাতে হতাশ করেছেন দু্ই ওপেনার সাদমান ইসলাম এবং মাহমুদুল হাসান। দ্বিতীয় ইনিংসেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি করলেন এই দুজন। এবারও দলকে বিপদে ফেলে সাজঘরে ফিরেছেন তারা।
বাংলাদেশের করা ৪১৩ রানের জবাবে পাকিস্তানের ইনিংস থেমেছে ৩৮৬ রানে। ২৭ রানের লিড নিয়ে গতকাল রোববার শেষ বিকেলে ১.৫ ওভার ব্যাট করেছে স্বাগতিকরা। বিনা উইকেটে ৭ রান নিয়ে দিনের খেলা শেষ করেন সাদমান এবং মাহমুদুল। গতকাল কোনো বিপদ না হলেও আজ দিনের শুরুতেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন এই দুই ওপেনার।
এর শুরুটা হয় মাহমুদুলকে দিয়ে। মোহাম্মদ আব্বাসের করা ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বল এই ওপেনারের প্যাডে লাগতেই জোরালো আবেদন হয়। আবেদনে সাড়া দিয়ে আঙুল তুলে আম্পায়ার। এলবিডব্লু হয়ে রিবিউ নিয়েছিলেন মাহমুদুল। তাতে অবশ্য কাজের কাজ হয়নি। ২৬ বলে ৫ রান করেন এই ব্যাটার।
১১তম ওভারে সাদমানকেও হারায় বাংলাদেশ। হাসান আলীর করা অফ স্টাম্পের বাইরের বাউন্ডার বাঁহাতি ওপেনারের ব্যাটের শ্লোল্ডারে লেগে সরাসরি চলে যায় গালিতে থাকা সৌদ শাকিলের হাতে। ফেরার আগে ১০ রান করেন সাদমান। দলীয় ২৩ রানেই সাজঘরে বাংলাদেশের দুই ওপেনার। এর আগে প্রথম ইনিংসে ৩১ রানে বিদায়ে নিয়েছিলেন সাদমান এবং মাহমুদুল। সাদমান ১৩ এবং মাহমুদুল করেছিলেন ৮ রান।

গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ জানানো নিষিদ্ধ করলেন হাইকোর্ট
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ১২:৪৩:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
লিঙ্গ নির্ধারণ ও তা প্রকাশের অনৈতিক চর্চা বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ২০২৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি এ রায় ঘোষণা করেন।
সোমবার (১১ মে) রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে।
রায়ে বলা হয়েছে, অনাগত শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ ও প্রকাশ নারীর প্রতি বৈষম্য, কন্যাশিশু হত্যার প্রবণতা, সামাজিক ভারসাম্যহীনতা এবং সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থি। আদালতের মতে, এ ধরনের চর্চা নারীর মর্যাদা, সমতা ও জীবনের অধিকারের বিরুদ্ধে যায় এবং এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বাধ্যবাধকতারও লঙ্ঘন।
আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, বাংলাদেশে এ বিষয়ে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ, মনিটরিং ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা দীর্ঘদিন অনুপস্থিত ছিল। শুধু একটি গাইডলাইন প্রণয়ন করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; বাস্তবায়ন, ডিজিটাল নজরদারি ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছাড়া এই অনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করা সম্ভব নয়।
রায়ে উল্লেখ করা হয়, নিবন্ধিত হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরিচালিত অনাগত শিশুর ডায়াগনস্টিক রিপোর্ট সংরক্ষণ ও তদারকির জন্য একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ থাকা প্রয়োজন।
হাইকোর্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে ৬ মাসের মধ্যে একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি ও নিয়মিত হালনাগাদ করার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে আদালত বলেন, ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণের মাধ্যমে কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে বৈষম্য ও সম্ভাব্য নারী ভ্রূণ হত্যার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা সংবিধানের ১৮, ২৭, ২৮, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আদালত আরও উল্লেখ করেন, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে এ ধরনের কার্যক্রম আইন দ্বারা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত।
রায়ে আদালত এ নির্দেশনাকে ‘continuous mandamus’ হিসেবে ঘোষণা করেন, যাতে ভবিষ্যতে নির্দেশনার বাস্তবায়ন আদালত তদারকি করতে পারেন।
২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান গর্ভের শিশুর পরিচয় প্রকাশ বন্ধে এ রিট আবেদন করেন।
আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ইশরাত হাসান। তাকে সহযোগিতা করেন তানজিলা রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশ গুপ্ত।

পরিবার ও সমাজ গঠনে নারীর ভূমিকা নিয়ে ডা. জুবাইদা রহমানের বক্তব্য
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ১২:৩৫:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
পরিবার ও সামাজিক উন্নয়নে নারীদের অবদান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, নারীরা পরিবার ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে কেন্দ্রে থেকে স্বাস্থ্য-গ্রামীণ উন্নয়নে অংশ নিতে পারে।
তিনি বলেছেন, কন্যাশিশুদের নিরাপত্তা ও সুন্দর মানবিক বিকাশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রতিটি মেয়ে যে ভবিষ্যৎ নিজের জন্য গড়তে চায়, সে পথে রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির পরিবর্তে তা এগিয়ে নেবে।
সোমবার (১১ মে) রাজধানীতে পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির (পুনাক) সমাবেশে অংশ নিয়ে ডা. জুবাইদা রহমান এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির (পুনাক) আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পেরে আমার খুবই ভালো লাগছে। অভিনন্দন জানাই সব সদস্যকে— তাদের নিরলস প্রচেষ্টায় সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ে অবদান রাখার জন্য।
ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, আপনারা আপনাদের কর্মের মাধ্যমে আগামীর প্রজন্মকে সমাজে অবদান রাখার পথ দেখিয়ে দিতে সহায়তা করছেন। অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যতের সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে গৃহীত সমাজসেবামূলক আপনাদের পরিকল্পনাগুলো সমন্বিতভাবে একটি সুন্দর সুস্থ মানবিক সমাজ গঠনের ভিত্তি। আমরা সকলে যদি নিজ নিজ ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত সমাজ গঠনে অবদান রাখি। তাহলে নিশ্চয়ই সেটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, নারীরা পরিবার ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে কেন্দ্রে থেকে স্বাস্থ্য-গ্রামীণ উন্নয়নে অংশ নিতে পারে। কন্যাশিশুদের নিরাপত্তা ও সুন্দর মানবিক বিকাশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রতিটি মেয়ে যে ভবিষ্যৎ নিজের জন্য গড়তে চায়, সেই পথে রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির পরিবর্তে তা এগিয়ে নেবে।
তিনি আরও বলেন, স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে ক্ষুদ্র কুটির ও মাঝারি শিল্পে যোগ্যতার ভিত্তিতে নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহ প্রদান। যেমন- প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং ডেভেলপমেন্ট ও মার্কেটিং সাপোর্ট প্রদান। ফলে পারিবারিক সচ্ছলতা বৃদ্ধি ও সন্তানদের শিক্ষা এবং দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথ সুগম করা সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, সব শেষে তিনি অনুষ্ঠানটি আয়োজনের জন্য পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানান।

আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকে ৩০০ পদের বিশাল নিয়োগ
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ১২:২৭:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
কাজের সুযোগ দিচ্ছে আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটি তাদের ‘ডাটা এন্ট্রি অপারেটর’ পদে ৩০০ জনকে নিয়োগের লক্ষ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদন শুরু হবে ১৪ মে সকাল ১০টায়, চলবে ১৩ জুন বিকেল ৫টা পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করতে পারবেন।
চলুন, একনজরে দেখে নিই আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি-২০২৬
প্রতিষ্ঠানের নাম: আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
পদের নাম: ডাটা এন্ট্রি অপারেটর
পদসংখ্যা: ৩০০ জন
চাকরির ধরন: বেসরকারি, ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক অথবা সমমান
অভিজ্ঞতা: প্রযোজ্য নয়
বেতন ও অন্যান্য সুবিধা: ৯৩০০ – ২২,৪৯০ টাকা (১৬তম গ্রেড)
বয়সসীমা: ১ মে ২০২৬ তারিখ ১৮-৩২ বছর। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার এফিডেভেট গ্রহণযোগ্য নয়।
কর্মস্থল: যে কোনো জেলায় কাজ করার মানসিকতা থাকা আবশ্যক।
আবেদন পদ্ধতি: অনলাইনে
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন। আবেদনের সঙ্গে ৩০০-৩০০ সাইজের ছবি ও ৩০০-৮০ সাইজের স্বাক্ষর স্ক্যান করে যুক্ত করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পরে এবং অসম্পূর্ণ আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য হবে না।
আবেদন ফি: টেলিটক প্রি-পেইড সিমের মাধ্যমে ১১২ টাকা অফেরতযোগ্য হিসেবে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাঠাতে হবে।
আবেদন শুরু: ১৪ মে
আবেদনের শেষ তারিখ: ১৩ জুন

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সুখবর, বন অধিদপ্তরে ৩৮২ জন নিয়োগ
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ১২:১৯:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বন অধিদপ্তর। প্রতিষ্ঠানটি তাদের রাজস্ব খাতভুক্ত ‘ফরেস্টার’ পদে তিন শতাধিক জনবল নিয়োগ দেবে।
চলুন, একনজরে দেখে নিই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি-
পদের নাম: ফরেস্টার
পদ সংখ্যা: ৩৮২
শিক্ষাগত ও অন্যান্য যোগ্যতা: কোন স্বীকৃত বোর্ড হতে ডিপ্লোমা-ইন-ফরেস্ট্রি। উচ্চতা ১৬৩ সে.মি; ও বুকের মাপ ৭৬ সে.মি
বেতন স্কেল: ৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৫)
বয়সসীমা: ১৮-৩২ বছর
আবেদনের নিয়ম: বন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট থেকে আবেদনপত্র ডাউনলোড করে পূরণ করতে হবে। ডাকযোগে অথবা বন ভবন, আগারগাঁও, ঢাকার দ্বিতীয় তলায় (Level-1)-এ রক্ষিত বাক্সে সরাসরি পৌঁছাতে হবে।
আবেদনের ঠিকানা: প্রধান বন সংরক্ষক, বন অধিদপ্তর, বন ভবন, আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭ প্রধান বন সংরক্ষক, বন অধিদপ্তর, বন ভবন, আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭
আবেদন ফি: ১০০ টাকা
আবেদনের শেষ তারিখ: ১০ জুন ২০২৬
বিস্তারিত দেখতে ক্লিক করুন এখানে

প্রেস ক্লাব গঠন করেও বাঁচতে পারলেন না শ্রমিক লীগ নেতা
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ১১:৫১:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
গ্রেপ্তার এড়াতে কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকে নিয়ে ফরিদপুরের সালথা উপজেলা প্রেস ক্লাব গঠন করা সেই শ্রমিক লীগ নেতা চৌধুরী মাহমুদ আশরাফ টুটুকে চাঁদাবাজি মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। টুটু সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে আলোচিত। তিনি সালথা উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক।
রোববার (১০ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফরিদপুরে সালথার আমলি আদালতে হাজির হলে ওই আদালতের বিচারক কৃষ্ণা বালা তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী জসীমউদ্দীন মৃধা।
জসীমউদ্দিন মৃধা বলেন, ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজির চেষ্টার একটি মামলায় তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। এর আগে টুটু চৌধুরীকে ঘিরে নানা অভিযোগ সামনে আসে। স্থানীয় সাংবাদিকদের দাবি, গত ফেব্রুয়ারিতে একটি হোটেলে কয়েকজনকে নিয়ে ‘সালথা উপজেলা প্রেস ক্লাব’ নামে নতুন একটি সংগঠনের কমিটি ঘোষণা করেন তিনি। ওই কমিটিতে সভাপতি করা হয় টুটু চৌধুরীকে এবং সাধারণ সম্পাদক করা হয় উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলামকে।
অভিযোগ রয়েছে, ১৮ সদস্যের ওই কমিটিতে অধিকাংশ সদস্যের সাংবাদিকতার সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তাদের মধ্যে কেউ যুবলীগ, কেউ ছাত্রদল, আবার কেউ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এমনকি ভুয়া আইডি কার্ড তৈরি করে সদস্য বানানোর অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয় সাংবাদিকদের ভাষ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে টুটু চৌধুরী সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে দালালি, চাঁদাবাজি ও প্রভাব বিস্তার করতেন। এছাড়া মাটি-বালু ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ, টেন্ডার বাণিজ্য ও থানাকেন্দ্রিক দালালির অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
সম্প্রতি, ফরিদপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরীর সম্পদ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে এক সাংবাদিককে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে টুটু চৌধুরীর বিরুদ্ধে।

ফ্রিজের কম্প্রসার বিস্ফোরণ: একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ১১:৪১:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি বাসায় ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ হয়েছেন।
সোমবার (১১ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ফতুল্লার শিবু মার্কেটের পাশে কুতুবপুর রাখিবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
দগ্ধরা হলেন— আব্দুল কাদের (৫০) ও তার তিন ছেলে মেহেদী (১৭), যমজ সন্তান সাকিব (১৬) ও রাকিব (১৬)। গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা গেছে, আব্দুল কাদের অটোরিকশাচালক। আর তার ছেলে মেহেদি হালিম বিক্রেতা, সাকিব একটি কারখানায় কাজ করে এবং রাকিব চটপটি বিক্রি করেন। ঘটনার সময় ৩ ছেলে ও বাবা ঘুমিয়েছিলেন। আর তাদের মা রান্নার কাজের জন্য পানি সংগ্রহ করতে ঘরের বাইরে ছিলেন। তখনই এ দুর্ঘটনা ঘটলে ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান তিনি।
তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী মো. ফারুক জানান, একতলা ভবনটিতে ভাড়া থাকেন আব্দুল কাদেরের পরিবার। তার তিন ছেলে এবং স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস। সকালে তাদের বাসায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের শব্দে আশপাশের মানুষ জেগে ওঠে। তখন সবাই দৌড়ে গিয়ে দেখেন, ওই বাড়িটির দরজা, জানলা ভেঙে পড়েছে। ঘরের ভেতর থেকে দগ্ধ অবস্থায় একে একে তাদের বের করে আনা হয়। সঙ্গে সঙ্গে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।
তিনি জানান, ধারণা করা হচ্ছে, ওই বাসার গ্যাস লিকেজ হয়ে জমে থাকা গ্যাস থেকে অথবা ফ্রিজের কম্প্রসার থেকে এ বিস্ফোরণ ঘটে থাকতে পারে। তবে এটি কেউই নিশ্চিতভাবে বলতে পারছে না।
এদিকে বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, আব্দুল কাদেরের শরীরের ৫৭ শতাংশ, মেহেদীর ১৮, সাকিবের ১৭ ও রাকিবের ২৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। মেহেদী ও রাকিবের শ্বাসনালিও দগ্ধ হয়েছে। তাদের চারজনের অবস্থাই গুরুতর। ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস, থাকছে জিয়া পরিবারের ইতিহাস
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ১১:২০:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
আগামী শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের পাঠ্যবইয়ে নানা পরিমার্জন ও পরিবর্তন আনছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড-এনসিটিবি। এর মধ্যে চতুর্থ থেকে নবম শ্রেণির ইতিহাস বইয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস এবং স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি মেজর জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বীরত্বের ওপর আলাদা অধ্যায় থাকবে। চতুর্থ শ্রেণিতে শারীরিক শিক্ষা ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘লার্নিং উইথ জয়’ বা আনন্দময় শিক্ষা এবং কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা নামে তিনটি বই বাধ্যতামূলকভাবে যোগ হবে। খেলাধুলা ও সংস্কৃতিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে পাঠ্যবইয়ে। চতুর্থ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি ক্লাসেই সাতটি খেলাধুলা ও দেশীয় সংস্কৃতি নিয়ে আলাদা বই থাকবে।
এ ছাড়া আইসিটি বইয়ে এআই, রোবোটিকস এবং সাইবার নিরাপত্তার মতো যুগোপযোগী বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এর বাইরেও সব বইয়ে তথ্য, শব্দ ও ভাষাগত নানা পরিমার্জন আনা হবে। পাঠ্যবইয়ের প্রচ্ছদ, ছবি, মানচিত্র ও অলংকরণেও নান্দনিকতা আনা হবে। এসব পরিবর্তন এনে জুনের মধ্যেই পরিমার্জনের কাজ শেষ করতে চায় এনসিটিবি। এবার এনসিটিবির সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে পরিমার্জনের কাজ করছে।
এনসিটিবি সূত্র জানায়, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে পাঠ্যপুস্তকসমূহ পর্যালোচনা ও পরিমার্জন করতে গত ৪ মে থেকে ৭ মে পর্যন্ত বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে টানা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে যুক্ত ছিলেন আ ন ম এহছানুল হক মিলন। চার দিনের এ কর্মশালায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, অধ্যাপক এস এম হাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ নূর-ই-আলম সিদ্দিকী ও শাহ শামীম আহমদের তত্ত্বাবধানে দেশের ২৫৭ শিক্ষক ও শিক্ষা বিশেষজ্ঞ অংশ নেন। তারা বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সঙ্গে জড়িত।
এ কর্মশালায় অংশ নেওয়া একাধিক শিক্ষক বলেন, সেখানে বর্তমান পাঠ্যবইগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা চুলচেরা বিশ্লেষণ করেছেন। বর্তমান ভুলত্রুটিগুলো খুঁজে বের করার পাশাপাশি ভাষাগত পরিমার্জনে নানা পরামর্শ দেন। অন্য বছর কর্মশালাগুলোতে আমলাদের আধিক্য থাকলেও এবার তা ছিল না। আবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট পরিমার্জনের দায়িত্বে থাকায় শিক্ষকদেরও ভুলত্রুটি বের করা সহজ হয়েছে।
তারা জানান, বিগত বছর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আওয়ামী লীগ আমলের পাঠ্যবইয়ে বড় ধরনের সংশোধন আনায় এবার বেশি পরিমার্জন করতে হচ্ছে না। তবে ইতিহাস এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। চতুর্থ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সব ক্লাসের এসব বইয়ে জাতীয় বিপ্লব সংহতি দিবস ও স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি মেজর জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বীরত্ব নিয়ে নতুন অধ্যায় যোগ করা হচ্ছে। এ তিনটি বিষয়কে আওয়ামী লীগ আমলে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধসহ আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়া অন্যান্য জাতীয় নেতার যার যে অবদান, তা তুলে ধরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মুক্তিযুদ্ধ শুরুর প্রাক্কালে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন মেজর জিয়াউর রহমান। পরবর্তী সময়ে তিনি ১ নম্বর সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দেন। আওয়ামী লীগ আমলে তার এ ইতিহাস পাঠ্যবই থেকে অনেকটা মুছে ফেলা হয়। এ ছাড়া ১৯৭৫ সালে সমগ্র জাতি যখন অনিশ্চয়তার সম্মুখীন, তখন ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার মিলিত বিপ্লব জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দেয়, যা দেশপ্রেমের এক অনন্য নজির। ওইদিন জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে তারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেন।
তিনি ক্রান্তিময় সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন। এ ইতিহাসও আওয়ামী লীগ আমলে ধামাচাপা ছিল। তবে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে এ দিবসকে গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রতি বছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দিবসটির গুরুত্ব এবার পাঠ্যবইয়ে তুলে ধরা হবে।
এ ছাড়া নব্বইয়ের গণআন্দোলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অবদানের কথা অস্পষ্ট ছিল। এবার পাঠ্যবইয়ে তার অবদানের কথা তুলে ধরা হচ্ছে।
এনসিটিবির এক কর্মকর্তা বলেন, নবম শ্রেণিতে ওঠার পর মূলত মানবিক শাখার শিক্ষার্থীরা ইতিহাস বই পড়ে। তাই চতুর্থ শ্রেণি থেকেই ইতিহাস এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে এ ইতিহাসগুলো তুলে ধরা হচ্ছে।
ইতিহাসের বই সংশোধনের দায়িত্বে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, ‘ইতিহাসের বয়ান হবে নির্মোহ। এখানে কাউকে বড় কিংবা ছোট করে দেখানো হবে না। যার যে অবদান আছে, তা তুলে ধরা হবে। শিক্ষার্থীরা বই পড়ে যাতে সঠিক তথ্য পায়, সেই আলোকে বই লেখার জন্য সংশ্লিষ্ট লেখকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
খেলাধুলা ও সংস্কৃতিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সারা দেশে চালু করেছে। এরই অংশ হিসেবে পাঠ্যবইয়েও খেলাধুলা ও সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। চতুর্থ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সব ক্লাসেই খেলাধুলা ও সংস্কৃতি নিয়ে আলাদা বই থাকবে।
এতে ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার, অ্যাথলেটিকস, কারাতে অথবা দাবা নিয়ে আলাদা অধ্যায় থাকবে। বইয়ে দেশীয় সংস্কৃতিও উঠে আসবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, এ বইয়ের পরীক্ষা হবে ব্যবহারিক। অর্থাৎ খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ থেকেই নম্বর দেওয়া হবে। আগে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির এ বিষয়ে একটি পুস্তিকা থাকলেও এবার মাধ্যমিকেও তা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এ ছাড়া নতুন করে তিনটি বই যুক্ত হচ্ছে। এর মধ্যে চতুর্থ শ্রেণিতে যোগ হচ্ছে শারীরিক শিক্ষা ও মানসিক স্বাস্থ্য নামের একটি বই। আর ষষ্ঠ শ্রেণিতে যোগ হচ্ছে ‘লার্নিং উইথ জয়’ বা আনন্দময় শিক্ষা এবং কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা নামে দুটি বই। এর মধ্যে আনন্দময় শিক্ষার বইটির পরীক্ষাও ব্যবহারিক হবে। ‘লার্নিং উইথ জয়’ মূলত পরীক্ষামূলকভাবে আগামী বছর চালু হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শ্রেণিতে এ বই যুক্ত করা হবে।
বর্তমানে শিক্ষার্থীদের যে বই পড়ানো হচ্ছে, তা ২০১২ সালে প্রণয়ন করা। তাই ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বইয়ে যে পাঠগুলো পড়ানো হচ্ছে, সেগুলো সেকেলে। আধুনিক প্রযুক্তির ধারেকাছেও নেই। তাই এবার আইসিটি বইয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিকস, হার্ডওয়্যার, সাইবার নিরাপত্তাসহ আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক নানা বিষয় যুক্ত করা হবে।
এ ছাড়া বাংলা, বিজ্ঞান, পৌরনীতি ও নাগরিকতাসহ বেশকিছু বইয়ের কিছু কনটেন্টে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি এবার পাঠ্যবইয়ের প্রচ্ছদ, ছবি, মানচিত্র, লেখার বিন্যাস ও অলংকরণেও নান্দনিকতা আনা হচ্ছে। বইয়ে যেসব ছবি, বাণী বা প্রবাদ দেওয়া হয়, তা শিক্ষার্থীর বয়সের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করারও চিন্তা রয়েছে। ছবির সামঞ্জস্যতা, ছবির স্পষ্টতা, ক্যাপশন ও ব্রেইল বইয়ের ক্যাপশনেও পরিমার্জন আনা হবে।
সার্বিক বিষয়ে পাঠ্যবই পরিমার্জনের দায়িত্বে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. এস এম হাফিজুর রহমান কালবেলাকে বলেন, ‘বর্তমানে যে বইগুলো আছে; তাই আগামী বছর শিক্ষার্থীদের দেওয়া হবে। এখানে শুধু তথ্যগত, বানান, শব্দ ও ভাষাগত বিষয়গুলো দেখা হচ্ছে, যাতে ভুল কিছু না যায়। আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়গুলো দেখছি।’
এনসিটিবির চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক পাটওয়ারী এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক ড. এ কে এম মাসুদুল হক কালবেলাকে বলেন, ‘সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের কথা মাথায় রেখেই বইগুলো পরিমার্জন করা হচ্ছে। জুনের মধ্যে আমরা এ কাজ শেষ করব। সবকিছু এবার পরিবর্তন হয়তো সম্ভব হবে না। তবে আগামী ২০২৮ সালে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের কথা রয়েছে। তখন আমরা পাঠ্যবই কমানোর পাশাপাশি যুগোপযোগী বিষয় ও অধ্যায় যোগ করব। জুন থেকেই নতুন কারিকুলাম নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে।’
সুত্র: “দৈনিক কালবেলা”

মাদকবিরোধী অভিযানে নোয়াখালীতে ৩ জন গ্রেপ্তার
- মো. ইসমাইল হোসেন নোয়াখালী ব্যুরো প্রধান। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ১১:১৩:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

কামারখন্দে বাউল গানের অনুষ্ঠানে হাতাহাতি, ছাত্রদল নেতা সহ আহত ১০
- ওমর ফারুক ভুইয়া (কামারখন্দ), সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম।
- আপডেট টাইম : ১০:৪৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বিয়াড়া মেলার শেষ দিনে অনুষ্ঠিত বাউল গানের আসরে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে ছাত্রদল নেতাসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেয় প্রশাসন।
রবিবার (১০ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার বিয়াড়া মেলা প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাউল গানের অনুষ্ঠান চলাকালে বড়কুড়া ও বিয়াড়া গ্রামের কয়েকজন যুবকের মধ্যে নাচানাচি ও ধাক্কাধাক্কিকে কেন্দ্র করে প্রথমে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এতে অনুষ্ঠানস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং দর্শনার্থীরা ছোটাছুটি শুরু করেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে অনুষ্ঠানটি ভণ্ডুল হয়ে যায়।
আহতদের মধ্যে বিয়াড়া গ্রামের রাজিব, রাজু, কলম ও করিমের নাম জানা গেছে। এছাড়াও বড়কুড়া গ্রামের কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
আহত রাজিব জানান, তিনি স্টেজের কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে অনুষ্ঠান উপভোগ করছিলেন। হঠাৎ হুড়োহুড়ি শুরু হলে লোকজন ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ সময় কিছু ব্যক্তি তাকে মারধর শুরু করে। পরে তার দুই ভাই এগিয়ে এলে তাদেরও মারধর করা হয়।
এদিকে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করতে গিয়ে কামারখন্দ থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তানহাল আহমেদ রাজু ও তার ভাই আজাদুলও হামলার শিকার হন বলে জানা গেছে।
ঘটনার বিষয়ে কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলী জানান, মৌখিক অনুমতি নিয়ে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়েছিল। হাতাহাতির ঘটনার পরপরই অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

চাকরি দিচ্ছে আরএফএল গ্রুপ, থাকছে বাড়তি সুবিধা
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৯:৩৮:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
লোকবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে আরএফএল গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটির প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার/ অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার পদে জনবল নিয়োগের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে ০৯ মে থেকে এবং আবেদন করা যাবে আগামী ০৭ জুন পর্যন্ত।
আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
এক নজরে দেখে নিন আরএফএল গ্রুপে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬
প্রতিষ্ঠানের নাম : আরএফএল গ্রুপ
চাকরির ধরন : বেসরকারি চাকরি
পদ সংখ্যা : ১টি
লোকবল নিয়োগ : নির্ধারিত নয়
আবেদন করার মাধ্যম : অনলাইন
অফিশিয়াল ওয়েবসাইট : https://rflbd.com
আবেদন করার লিংক : অফিশিয়াল নোটিশের নিচে
প্রতিষ্ঠানের নাম : আরএফএল গ্রুপ
পদের নাম : প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার/ অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার
পদসংখ্যা : নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা : সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা
অন্য যোগ্যতা : অটোক্যাড, এমএস প্রজেক্ট/প্রিমাভেরা এবং এমএস অফিসে পারদর্শিতা। প্রকল্প পরিকল্পনা, সাইট তত্ত্বাবধান এবং বাস্তবায়নে ভালো জ্ঞান।
অভিজ্ঞতা : কমপক্ষে ৩ বছর
চাকরির ধরন : ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র : অফিসে
প্রার্থীর ধরন : নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা : কমপক্ষে ২৫ বছর
কর্মস্থল : দেশের যেকোনো জায়গায়
বেতন : আলোচনা সাপেক্ষে
অন্য সুবিধা : প্রভিডেন্ট ফান্ড, ভ্রমণ ভাতা, মোবাইল বিল, কর্মক্ষমতা বোনাস, দুপুরের খাবার সুবিধা, প্রতি বছর ইনক্রিমেন্ট।
আবেদন করবেন যেভাবে : আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
আবেদনের শেষ সময়: ০৭ জুন ২০২৬

হাম আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে ১১ শিশুর মৃত্যু
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৯:২২:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে রোববার (১০ মে) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৭ শিশু এবং হামে আক্রান্ত হয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৩৪৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর হামে ৬৫টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে আর ২০৫টি শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ২৭৮টি শিশু। একই সময়ে হামে মারা যাওয়া ৪ শিশুর তিনজনই ঢাকা বিভাগের, একজন বরিশালের। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়েও ঢাকা বিভাগে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর বাইরে দুইজন করে শিশুর মৃত্যুর হয়েছে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১ হাজার ৫০৩টি শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা যায়। তাদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ২৭৮টি শিশু। এর মধ্যে ৪৯৬টি শিশুই ঢাকা বিভাগের। এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া ১ হাজার ১১৬টি শিশু গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিভাগের ৪৪৩ শিশু।
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা গেছে মোট ৪৯ হাজার ১৫৯টি শিশুর। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩৪ হাজার ৯০৯টি শিশু। তাদের মধ্যে ৬ হাজার ৮১৯ জনের হাম শনাক্ত হয়। আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়া রোগীর সংখ্যা ৩০ হাজার ৮৬২।

জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের শেষ আশ্রয় ‘মা’: মির্জা ফখরুল
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৯:০৯:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
মা দিবসে দেশের সব নাগরিককে মায়েদের যথাযোগ্য সম্মান ও কর্তব্য পালনের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার মতে, জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের সর্বশেষ আশ্রয়স্থান হচ্ছেন ‘মা’। এই মানুষটি সন্তানদের গড়ে তুলতে সব অর্থেই থাকেন আপসহীন ও সংগ্রামী।
রোববার (১০ মে) ‘আন্তর্জাতিক মা দিবস’ উপলক্ষে এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।
বাণীতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মা দিবস’ উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মায়ের প্রতি আমি আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমি তাদের সমৃদ্ধি ও সুস্বাস্থ্য কামনা করি। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের সর্বশেষ আশ্রয়স্থান হচ্ছেন ‘মা’ । যদিও মাকে শ্রদ্ধা জানাতে কোন দিন-ক্ষণের প্রয়োজন হয় না।
‘মা’ একটি ছোট শব্দ কিন্তু তার ব্যাপকতা অসীম উল্লেখ করে তিনি বলেন, মা সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখান। তাই মায়ের জন্য প্রতিদিনই সন্তানের ভালোবাসা থাকে, তবু স্বতন্ত্রভাবে ভালোবাসা জানাতেই আজকের এই দিন। পরিবারে ‘মা’ হচ্ছেন এক অপরিহার্য মহিমান্বিত প্রতিষ্ঠান।
মহীয়সী মায়ের শিক্ষাতেই শিশুর ভবিষ্যৎ নির্মিত হয়। সুমাতার সহচার্যে সন্তানের উৎকর্ষতা ও প্রকৃত মানবসত্তার জাগরণ ঘটে, সন্তানের আত্মাকে নির্মল করে বলে মনে করেন বিএনপি মহাসচিব।
বাণীতে তিনি বলেন, সন্তানের সাফল্যের মূলে থাকে ‘মা’-এর উদ্যম ও উদ্যোগ। নিবেদিতপ্রাণ এই মানুষটি সন্তানদের গড়ে তুলতে সব অর্থেই থাকেন আপসহীন ও সংগ্রামী। অনেক শক্তির আধার একজন মা।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতাসীন থাকা অবস্থায় নারী সমাজের অগ্রগতির জন্য যে অবদান রেখেছিলেন তা প্রশংসিত হয়েছে দেশ-বিদেশে। আর্থিক ও সামাজিক অগ্রগতিতে এদেশে দেশনেত্রীর অবদান কিংবদন্তিতুল্য।
লুণ্ঠিত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ভয়ংকর রাজরোষে পড়া সত্ত্বেও তিনি তার কর্তব্যকর্ম থেকে বিন্দুমাত্র বিচ্যুত হননি জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সেই কারণেই মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া আজ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ‘গণতন্ত্রের মা’ হিসেবে সর্বজনশ্রদ্ধেয় ও অভিনন্দিত। এই গৌরবান্বিত দিবসে আমি মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করি তিনি যেন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে জান্নাত নসিব করেন।
মা দিবসে সব নাগরিকের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, মায়েদের প্রতি যথাযোগ্য সম্মান ও কর্তব্য পালন করেন। কারণ কেবলমাত্র সন্তানদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার একমাত্র শর্ত হচ্ছে মায়ের মর্যাদা সম্পর্কে সচেতন থাকা।

তারেক রহমান প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করছেন: রিজভী
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৮:৫৮:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
রোববার (১০ মে) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে আইডিইবি’র ৪৫ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

নাচোলে বসতবাড়িতে ককটেল হামলা, থানায় সাধারণ ডায়েরি
- মোঃ হেলাল উদ্দীন , নাচোল (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৮:৪০:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

জনতার কণ্ঠে সংবাদ প্রকাশ: ক্ষেতলালের সেই ‘কমিশনখোর’ পিআইও বদলি
- মো. আমানুল্লাহ আমান, জয়পুরহাট প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ,কম
- আপডেট টাইম : ০৮:৩১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় টিআর-কাবিখা প্রকল্পে ২৫ শতাংশ কমিশন বাণিজ্য ও ভ্যাট-আয়করের নামে অর্থ আত্মসাতের খবর ‘জনতার কণ্ঠে প্রকাশের পর অবশেষে ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন। অভিযুক্ত উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ওবায়দুল হককে ক্ষেতলাল থেকে সরিয়ে পার্শ্ববর্তী পাঁচবিবি উপজেলায় বদলি করা হয়েছে।
গত ৭ মে ২০২৬ তারিখে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (প্রশাসন-১) তাসনূভা নাশতারাণ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই বদলির আদেশ জারি করা হয়। আদেশে ওবায়দুল হকসহ ৮ জন পিআইও-কে জনস্বার্থে বদলি করা হলেও ক্ষেতলালে তার বিরুদ্ধে ওঠা পাহাড় সমান দুর্নীতির অভিযোগই এই বদলির নেপথ্যে কাজ করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গত ২০ এপ্রিল জনতার কণ্ঠ ও সংবাদ সারাবেলা’য় “ক্ষেতলালে উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ: পিআইওর বিরুদ্ধে কমিশন বাণিজ্য” শিরোনামে একটি বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে পিআইও ওবায়দুল হকের কমিশন বাণিজ্যের কারণে মেম্বার-চেয়ারম্যানদের জিম্মি দশা এবং প্রকল্পের টাকা লুটের চিত্র ফুটে ওঠে। বিশেষ করে বড়াইল ও আলমপুর ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিদের দেওয়া সরাসরি স্বীকারোক্তিগুলো প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের টনক নড়ায়। প্রতিবেদকের কাছে থাকা অডিও-ভিডিও প্রমাণ এবং নথিপত্র সংবাদের সত্যতাকে অকাট্য করে তোলে।

আরও পড়ুন: টিআর-কাবিখা প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পিআইওর বিরুদ্ধে
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বদলিকৃত কর্মকর্তাদের আগামী ১৪ মে ২০২৬ তারিখের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত (Stand Released) হতে হবে। অন্যথায় ঐ দিন বিকেলেই তারা বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত বলে গণ্য হবেন। ক্ষেতলালে ওবায়দুল হকের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন পাঁচবিবির বর্তমান পিআইও মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক।
এই বদলিকে এলাকাবাসী স্বাগত জানালেও তারা কেবল বদলিতেই তুষ্ট নন। সচেতন মহলের দাবি, সংবাদ সারাবেলায় প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী তদন্ত কমিটি গঠন করে ওবায়দুল হকের সময়কার সকল প্রকল্পের অডিট করা প্রয়োজন। দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাৎকৃত সরকারি অর্থ উদ্ধার এবং তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

বিশ্বকাপ দেখা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাংলাদেশে
- ক্রীড়া ডেস্ক। জনতারকণ্ঠ.কম।
- আপডেট টাইম : ০৭:৪৫:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই বাড়তি উত্তাপ। ভক্ত-সমর্থকদের মধ্যে অন্যরকম উত্তেজনা। ২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ৩২ দিন বাকি। এবারের বিশ্বকাপ ফুটবলে সব কিছুর দামই আকাশচুম্বী! টিকিটের দাম থেকে শুরু করে এখন সম্প্রচার স্বত্বও চূড়ায় উঠতে শুরু করেছে। যে কারণে চীন, ভারত সম্প্রচার নিয়ে জটিলতায় পড়েছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা।
বাংলাদেশে বিশ্বকাপ সম্প্রচারের জন্য স্বত্ব পেয়েছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক মিডিয়া সংস্থা ‘স্প্রিংবক’। কিন্তু তারা এখন সেটি সম্প্রচারের জন্য বিটিভির কাছে যে পরিমাণ অর্থ চেয়েছে, তা দেশের একমাত্র সরকারি টেলিভিশনের বাজেটকেই প্রায় ছুঁয়ে ফেলছে! অনলাইন নিউজপোর্টাল বাংলা ট্রিবিউন এর এক প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ টেলিভিশনের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘স্প্রিংবক থেকে আমাদের কাছে ১৫১ কোটি টাকার একটি প্রস্তাব এসেছে। এছাড়া এর সঙ্গে ট্যাক্স ও ভ্যাট মিলিয়ে সেটা দুইশত কোটি টাকা দাঁড়াবে।’
তারপরই ওই কর্তা জানান, এত অর্থ দিয়ে আসলে বিটিভির মতো প্রতিষ্ঠানের খেলা দেখানো অসম্ভব। তার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন তিনি, ‘আসলে এত টাকা দিয়ে বিটিভির পক্ষে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কেনা সম্ভব নয়। বিটিভির সারা বছরের বাজেটই আছে তিনশত কোটি টাকা। এর মধ্যে যদি আমরা দুইশত কোটি টাকা দিয়ে সম্প্রচার স্বত্ব কিনি তাহলে টেলিভিশন চলবে কী করে? সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, এত টাকা দিয়ে স্বত্ব কিনে বিটিভি তো কোনোভাবেই লাভ করতে পারবে না। বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।’
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব ৯৮ কোটি টাকায় কিনেছিল বিটিভি। যার কারণে বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছিল দেশের একমাত্র সরকারি টেলিভিশনকে। এ নিয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘কাতার বিশ্বকাপে সম্প্রচার স্বত্ব কেনা নিয়ে পরবর্তীতে বিটিভিকে বড় ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল। আমরা বিজ্ঞাপন থেকে কিছু টাকা সংগ্রহ করতে পারলেও বিনিয়োগের পুরা টাকা আসেনি। বড় ক্ষতি হয়েছিল। এখন সরকার যদি মনে করে বিটিভির মাধ্যমে বিশ্বকাপ দেখাবে, তাহলে হয়তো সম্ভব। এছাড়া এই মুহূর্তে অন্য কোনও বিকল্প নেই।’
শেষ পর্যন্ত যদি বাংলাদেশেও বিশ্বকাপ সম্প্রচার না হয় তাহলে বিশ্বের একটি বড় অংশই সম্প্রচার তালিকার বাইরে চলে যাবে।
কিছু দিন আগেই যেমন রয়টার্সকে ফিফা জানিয়েছিল যে তারা ১৭৫টিরও বেশি অঞ্চলের সঙ্গে সম্প্রচার চুক্তি সম্পন্ন করেছে। এটা সত্য হলেও বাস্তব চিত্র আরও জটিল। কারণ এখনও পাকিস্তান, বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বাজারে বিশ্বকাপ সম্প্রচারের চুক্তি চূড়ান্ত হয়নি। তার ওপর ভারত ও চীনসহ বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল কয়েকটি দেশও ফিফার সম্প্রচার তালিকার বাইরে। অর্থাৎ বিশ্বের প্রায় ৪০ শতাংশ জনসংখ্যা এই সম্প্রচার কাভারেজের বাইরে রয়ে গেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, বাদ পড়া দেশগুলোর বড় অংশই একই অঞ্চলের, মূলত টাইম জোন সমস্যা। ভারত যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে সাড়ে ৯ ঘণ্টা এবং চীন ১২ ঘণ্টা এগিয়ে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত ম্যাচগুলো সেখানে বেশিরভাগ সময় গভীর রাত বা ভোরে সম্প্রচার হবে।
এর বিপরীতে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে সময়ের পার্থক্য ছিল তুলনামূলক সুবিধাজনক সময়ে। ভারতের সঙ্গে ব্যবধান ছিল মাত্র আড়াই ঘণ্টা এবং চীনের সঙ্গে ৫ ঘণ্টা। সেই কারণেই সে সময় ভারতের ভায়াকম১৮ (বর্তমানে রিলায়েন্সের অধীনে থাকা জিওসিনেমা প্ল্যাটফর্ম) ৬ কোটি ডলারে সম্প্রচার স্বত্ব কিনেছিল এবং বিনামূল্যে ম্যাচ দেখিয়েছিল। ফলে প্ল্যাটফর্মটির দর্শক সংখ্যা নাটকীয়ভাবে বেড়ে গিয়েছিল। তবে সেখানেও বিজ্ঞাপন আয় ছিল কম, প্রায় ৩ কোটি ডলার। যার ফলে প্রতিষ্ঠানটি লোকসান দেখেছে। ভারতে মূলত সাবস্ক্রিপশন নয়, বিজ্ঞাপনই মিডিয়ার আয়ের প্রধান উৎস হওয়ায় এই মডেল টেকসই হয়নি।
এই অভিজ্ঞতার পর ফিফা ২০২৬ ও ২০৩০ বিশ্বকাপ মিলিয়ে ভারতীয় বাজারের জন্য প্রায় ১০ কোটি ডলারের একটি প্যাকেজ চেয়েছিল। কিন্তু রিপোর্ট অনুযায়ী, জিওস্টার ও সনির দুই বড় প্রতিদ্বন্দ্বীই সেই দামে আগ্রহ দেখায়নি। বরং জিওস্টার মাত্র ২ কোটি ডলারের প্রস্তাব দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সময়ের পার্থক্য ছাড়াও বড় কারণ হলো ভারতীয় ক্রিকেটের আধিপত্য, বিশেষ করে আইপিএলের জন্য বিপুল বিনিয়োগ। একই সময়ে নারীদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও থাকায় দর্শক ও বিজ্ঞাপনদাতাদের আগ্রহ সেদিকেই বেশি।
চীনের ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি প্রায় একই। সেখানকার সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বকাপ সম্প্রচারের কেন্দ্র। তবে ফিফার প্রত্যাশা অনুযায়ী চীনা বাজার থেকে বড় অঙ্কের অর্থ আসেনি। ফিফা শুরুতে ২৫ কোটি ডলার চাইলেও চীনা পক্ষের আগ্রহ ছিল অনেক কম। প্রস্তাব নেমে আসে ৮০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত। ফলে সব দিক দিয়ে এখন অর্থই অনর্থের মূল হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক্ষেত্রে সবাইকে বিশ্বকাপ দেখাতে হলে ফিফাকে বড় ধরনের মূল্য ছাড় দিতে হবে।

“ওঙ্কার আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্রর” আত্মপ্রকাশ আগামীকাল
- নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৭:১৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
কবিতা জাগাবে বোধ” এই স্লোগানকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন সাহিত্য ও আবৃত্তি সংগঠন “ওঙ্কার আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র”।
আগামীকাল সোমবার (১১ মে) সন্ধ্যা ৬টায় সিরাজগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করবেন সিরাজগঞ্জ জেলা কালচারাল অফিসার মোঃ মাহমুদুল হাসান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মী, শিল্পী ও সংস্কৃতিপ্রেমীরা উপস্থিত থাকবেন।
মায়াময় এ সংসারের ঘূর্ণাবর্তে, স্বার্থের বেড়াজালে যখন জীবন অস্থির হয়ে ওঠে এবং হৃদয় মন যখন অশান্ত থাকে, তখন আবৃত্তি, গান ও শিল্প-সাহিত্যের আড্ডার মাধ্যমে সুস্থ বিনোদন ও নির্মল আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়াসে “কবিতা জাগাবে বোধ” এই স্লোগানকে ধারণ করে সংগঠনটির কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
অনুষ্ঠানে অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ, আমন্ত্রিত অতিথিদের বক্তব্য এবং আবৃত্তি পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শেষ হবে।
সংগঠনটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উক্ত অনুষ্ঠানকে আনন্দময়, প্রাণবন্ত এবং সার্থক করতে সকলের উপস্থিতির জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

অবরুদ্ধ পাঠশালা, আমাদের ভঙ্গুর শিরদাঁড়া: লায়ন মাহফুজ রহমান
- রিপোর্টার:
- আপডেট টাইম : ০৬:৫৮:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
প্রেস এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে নেতা কর্মীরা যে বিবৃতি প্রদান করেন, কত হাত ঘুরে মিডিয়া পর্যন্ত আসে সে এক বিশাল কর্মযজ্ঞ, সত্যিই নির্মম সংঘর্ষ । দলীয় কোনো বিবৃতির পোস্টমর্টেম করলে জাতীয় রাজনীতির হতশ্রী সৃজনশীলতা আপনাদের যে কারো মন ভারাক্রান্ত হবে । যেমন দায়িত্ব প্রাপ্ত কোনো নেতাকর্মী, বক্তব্য টাইপ করতে নিয়ে যান শহরের নির্দিষ্ট স্পটে কোনো ইন্টারনেট ক্যাফে, দলিল লেখকদের দোকানে যেখানে জেলা, উপজেলা, থানা, ওয়ার্ড পর্যায়ের যত কাজ হয় সবাইকে আসতে হয় | দূরত্ব বুঝে দিতে হয় পরিবহণ ভাড়া, সাথে সঙ্গ দেয়া নেতাকর্মীদের চা নাস্তা, বিড়ির যোগান। দোকানে গিয়ে দেখলেন সেখানে বিদ্যুৎ নেই , আবার বিদ্যুৎ সচল হলে দেখলেন প্রিন্টার এর কালী নেই, কালী টপআপ করার পরে দেখলেন পেপার জ্যাম ।
দিন শেষে কাজটা শেষ না হলে, পরের দিন দেখলেন যে নেতাকে কাজটা দিয়েছেন নানা প্রয়োজনে সেই মানুষটা নাই। পরের দিন গিয়ে দেখলেন সাপ্তাহিক বন্ধ। একটা বিবৃতি মিডিয়ায় প্রেস রিলিজ দিতে পারাটা তাই দলীয় বিশাল কর্ম দক্ষতা | কার্যালয় গুলোতে একটা কম্পিউটার, প্রিন্টার থাকা অত্যাবশক হলেও সেটা কল্পনার বাহিরে। অনেক কার্যালয় গুলোতে দামি আলোক সজ্জা আছে, চেয়ারে আছে কিন্তু সেখানে একটা প্রিন্টার নাই। আর থাকলেও সেটা চালানোর মতো দক্ষ নেতাকর্মী নাই। প্রয়াত রেজিম ডিজিটাল বাংলাদেশ উপহার দেয়ার কথা বলে যে খিচুড়ি খাওয়া হকার নেতৃত্ব রেখে গেছেন, আজকের সরকারি দল সেখান থেকেই নিজেদের যোগ্যতার জানান দিচ্ছে। চেতনার মলম নিয়ে নব্য হকাররা ব্যস্ত কে কার পিও সেটি জানান দিতে | হৈচৈ, দৌড় ঝাপ আর তৈলাক্ত বাণী নিয়ে শিকার ধরতে ব্যস্ত |
একজন পেশাজীবী, ফুটবলার, ক্রিকেটার হতে যেমন প্রস্তুতি লাগে স্কিল লাগে, একজন নেতা, হতেও সেই একই পরিশ্রম জ্ঞান অধ্যাবসায় লাগে । বিস্ময়কর হলো এদেশে নেতা হতে কিছুই লাগে না, এমনকি মানুষত্বও লাগে না। যেমন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জন ছাড়াই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি চেয়ারম্যান হওয়া যায়। তেমনি কোনো একাডেমিক, আক্ষরিক, জ্ঞান ছাড়াই এই দেশে জাতীয় নেতা হওয়া যায়। এ দেশের স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের ৭০% যাদের স্কুল পাশ সার্টিফিকেট ছাড়াই স্বশিক্ষায় গর্বিত রাজনৈতিক নেতা।
আমাদের ভাষার বাইনারি হলো শব্দ, ভাব প্রকাশে শব্দের কথাবলা এক আনবাদ্য শিল্প, অনেকটা সংগীত শিল্পের মতন। নেতা হতে ভাষা গত প্রয়োগ ও পরিমাপ গুরুত্বপূর্ণ। নেতার দক্ষতা তার ভাষার ব্যবহারিক প্রয়োগের উপর নির্ভরশীল। একজন নেতার রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয়, শিল্প, সাহিত্য, ভৌগোলিক জ্ঞান অত্যাবশ্যক। পরিতাপের বিষয় এই দেশে অধিকাংশ নেতাকর্মী ভালো করে কথা বলতে লিখতে পড়তে জানেন না। সেখানে রাষ্ট্র বিজ্ঞান ভাবনা প্রয়োগিক ব্যবহার তাদের দিয়ে হয় না, সেটা তাদের চেতণার পরিপন্থী ।
সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বদৌলতে কিছু নেতা কর্মী তৈরী হলেও যোগ্যতার মান দন্ডে তারাও অনেক পিছিয়ে। উচ্চ পদপদবি নিয়ে নেতাকর্মীরা সগৌরবে দাপিয়ে বেড়ান কিন্তু সমন্বয়হীনতা অব্যবস্থাপনায় কার কি কাজ সেটা তাদের জানা নেই | যেমনটা ধরুন বল যেখানে পুরো টীম সেখানে | কিছু কাজ নেতাকর্মীরা দল বেঁধে করতে পছন্দ করেন, তাই দেখবেন চাঁদাবাজি,নেশা হামলা, মামলা এগুলো তারা দল বেঁধে করেন। ঐযে কথায় আছে দশে মিলে করি কাজ নাহি ভয় নাহি লাজ।
আজকাল দলবেঁধে ধর্ষণ দেশের ক্ষয়ে যাওয়া রাজনীতির হতশ্রী ভেঙেপড়া আস্তাবল। জরুরী সেবা প্রয়োজনে জেলার এক বিজ্ঞ আইনজীবী নেতার চেম্বারে গিয়ে দেখলাম, কার্যালয়ে খাট পালংক বিছিয়ে দস্তুরখান বসিয়ে পুরোদস্তুর বাবুর্চিখানা খুলে বসেছেন । এখানে যারা আসেন বাজার থেকে খাবারের বন্দোবস্ত করেই আসেন | কি এক অভিজ্ঞতা যেমন খিচুরি খাওয়া নেতা কর্মী, তেমনি তাদের আইন পেশার জোগাড়, সবাই মিলে মিশে এক সুখী পরিবার। এখানে নেতাদের পরিচয় চেতনার ফেরিওয়ালা আর অন্যজন তাদের হ্যাকিম-কবিরাজ।
জেলার কোর্ট কাচারীর যে দুরাবস্থা সেখানে কে মক্কেল কে উকিল আলাদা করে জানা অনেক কঠিন, যেখানে আইন পেশার চেয়ে দালাল বেশি। উইন্ডোস ১১, কোর আই ৯ এর যুগে, চ্যাটজিপ্ট ব্যবহার করা কোনো তরুণই এই দৃশ্য দেখে আইন পেশায় যে আসতে চাইবে না সেটা পরিষ্কার ।
রাজনীতি এক চলমান পাঠশালা কিন্তু আমাদের সেই পাঠশালায় না আছে দরজা জানালা, না আছে শিক্ষক। যাদের দায়িত্ব ছিল নেতৃত্ব তৈরী করা, তারা রাজনীতিতে হ্কার পয়দা করেছেন| কমিটি বাণিজ্যের আড়ালে দেশ ব্যাপী হকার পুনর্বাসন কেন্দ্র গড়ে তুলেছেন। তাদের অয্যোগ্য নেতৃত্বে অবরুদ্ধ পুরোদেশ । রাজনৈতিক হকারদের হৈ-চৈ আর কর্তৃত্বে শিক্ষিত মধ্যেবিত্তরা রাজনীতি থেকে হারিয়ে গেছেন। দোকান ভাড়া নিয়ে দুই চারটে নেতার ছবি টাঙিয়ে, রাজনীতির পসরা সাজিয়ে সমাজকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছেন সেগুলো বন্ধ করতে হবে।
এই হ্কারদের ফাউ খাওয়া বন্ধ না হলে পরিবর্তন আসবে না। একজন পেশাদার নাগরিক হতে ব্যক্তি ও পরিবারের যে মেহনত, ত্যাগ প্রচেষ্টা সেটি আসলে শেষ পর্যন্ত পূর্ণতা পায় না। তার সুফল পায় না পরিবার, সমাজ ও দেশ। প্রতিটা পেশাজীবীই তার কর্ম জীবনে এই রাজনৈতিক দোকানদের হাতে জিম্মি। এই বাস্তবতায় দেশের তরুণরা ক্রমশই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রতি উদাসীন এবং নিরুৎসাহী হয়ে পড়ছে | তরুণরা জেনে গেছেন মেম্বার , চেয়ারম্যান, মেয়র, এমপি, মন্ত্রী হতে শিক্ষা জীবনের সাথে কোনো সম্পৃক্ততা নাই । তাই বর্তমান সাংসদের ৭৯ জন এমপি যারা স্বশিক্ষিত যাদের কেউ হাই স্কুল পাশ করেন নাই, বাকি এমপি মুন্ত্রীরাও কোনো রকম যোগাড় নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। এর চেয়েও হতশ্রী অবস্থা পুরো দেশের মেয়র, চেয়ারম্যান, মেম্বারদের তা দেশের রাষ্ট্রীও পর্যায় এখনো কেউ সেভাবে ভেবে দেখছেন না । কি এক অবস্থা, অযোগ্যতাই এইদেশে উন্নতির ওপেনসিক্রেট |
আমাদের গবেষণায় এই দেশে ১ কোটি ৮০ লক্ষ রাজনৈতিক নেতা কর্মী যারা সরাসরি দলীয় সুবিধাভোগী, রাজনৈতিক দোকানের উপর নির্ভরশীল। এই লোকগুলো তারা যাদের দলীয় কমিটিতে দায়িত্বশীল পদ রয়েছে। এই নেতা কর্মীদের আসলে পরিচয় দেবার মতো কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি, ট্রেনিং, গবেষণা, পরিচয় দেবার মতো পেশা নাই | দেশকে কিভাবে সামনে নিতে হবে দলের কেন্দ্রীয় পর্যায় সেই পৃষ্টপোষকতা নেই, রাজনৈতিক কোনো স্বদিচ্ছা নেই। পৃথিবীর সকল দেশে শিক্ষিত প্রগতিশীল,মধ্যেবিত্তরা রাজনীতি নিয়ন্ত্রন করলেও আমাদের দেশ নিয়ন্ত্রণ হয় অযোগ্য, সুবিধাভোগী রাজনৈতিক হকার দ্বারা। নেতা বলতে আমাদের দেশে শুধু রাজনৈতিক নেতাদেরকেই বুঝানো হয়। কিন্তু আরো অনেক নেতা আছে যেমন ব্যবসায়ীক নেতা, ক্রীড়া ব্যাক্তিক্ত, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, বিজ্ঞ আইনজ্ঞ, বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সবাইকে কর্ম ক্ষেত্রে পেশাজীবী নেতা বলা হয়। পেশাজীবী নেতা হতে শিক্ষা, মেধা, শ্রম, গবেষণা প্রয়োজন হয়, প্রতিটা পরীক্ষা কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হতে পুরো জীবন উৎসর্গ করতে হয়। পলিটিকাল নেতা হতে কি কি লাগে সেটাও আপনারা জানেন। তাই তরুণদের মধ্যে শর্ট কার্ট নীতি তীব্র থেকে তীব্র হচ্ছে।
সেখানে শিক্ষা ও শিক্ষকের প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন হয় না আদেশ উপদেশ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সুরে বলতে হয় : “নরমাংসের স্বাদ পাইলে মানুষের সম্বন্ধে বাঘের যে দশা হয়” অযোগ্য নেতা কর্মীদের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার স্বাদ, নরমাংসের স্বাদ পাওয়া সেই বাঘের দশা । ছোট্টো করে বলতে হয় : অবরুদ্ধ পাঠশালা, নেই কোনো দরজা জানালা! চারদিকে অবক্ষয়, ভঙ্গুর শিরদাঁড়া!! রুচির দুর্ভিক্ষ গড়া আমাদের বঙ্গ উপত্যকা !!!
![]()
লায়ন মাহফুজ রহমান রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সমাজ কর্মী, সম্পাদক প্রবাসী পেশাজীবী কেন্দ্রীয় পরিষদ (BPRC) কনসালটেন্ট এজেন্ট ব্রিটিশ কাউন্সিল

‘সোজা গুলি করার’ ওপেন নির্দেশনা দিয়ে রেখেছিল শেখ হাসিনা: চিফ প্রসিকিউটর
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৫:২৯:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমাতে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের সরাসরি নির্দেশ দিয়েছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা— এমনটাই জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ‘লেথাল ওয়েপন’ ব্যবহার করে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
রোববার (১০ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের সঙ্গে হওয়া এক কথোপকথনে শেখ হাসিনার নির্দেশনার বিষয়টি উঠে এসেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনা বলেছিলেন— ‘আমার নির্দেশনা দেওয়া আছে, ওপেন নির্দেশনা দিয়ে দিছি। এখন লেথাল ওয়েপন ব্যবহার করবে, যেখানে পাবে সোজা গুলি করবে’।
তিনি বলেন, একজন সরকারপ্রধান হিসেবে শেখ হাসিনার এমন নির্দেশনা ছিল অমানবিক ও ভয়াবহ। এর ফলেই সারাদেশে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালানোর প্রবণতা বেড়ে যায় এবং হাজারো মানুষ নিহত হন।
এই নির্দেশনার ভয়াবহতা তুলে ধরে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘একজন সরকারপ্রধান যিনি এই দেশের মানুষের অভিভাবক ছিলেন, ছাত্র-জনতার মাতৃতুল্য নেত্রী ছিলেন, যার ওপরে মানুষের এতো আশা ভরসা ছিল, হয়তো এই দেশের ছাত্র-জনতা কোনোদিন চিন্তা করে নাই তিনি এইরকম একটা হুকুম তিনি দিতে পারেন। তিনি আন্দোলন দমনে রাষ্ট্রীয় নানান কলাকৌশল ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু এরকম একটা ভয়াবহ আদেশ যার ফলশ্রুতিতে সারা দেশে লেথাল ওয়েপন ব্যবহারের প্রবণতা বেড়ে যায় এবং নির্বিচারে গুলি করে হাজারো মানুষকে হত্যা করা হয়।’
এদিকে এক-এগারো (১/১১) সরকারের প্রভাবশালী সেনা কর্মকর্তা লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়েও কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর। তাকে ওই সময়ের ডি ফ্যাক্টো গভর্নমেন্টের অন্যতম নিয়ন্ত্রক আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘সে সময়কার মানবতাবিরোধী অপরাধের নেপথ্যের মূল মহানায়ক ছিলেন তিনি। এছাড়া বিগত জুলাই আন্দোলনেও ফ্যাসিস্ট কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।’
একটি মিস কেসে তাকে অ্যারেস্ট দেখিয়ে সেফ হোমে একদিন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে বলে তিনি জানান।
এছাড়া জুলাই-আগস্টের ঘটনায় থানা ও ট্রাইব্যুনালের তদন্তের মধ্যে যাতে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেজন্য পুলিশকে ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারাধীন মামলাগুলোতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন (ফাইনাল রিপোর্ট) জমা না দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, গুম সংক্রান্ত তথ্যের জন্য সেনাসদরে চিঠি পাঠানোর বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের ‘তদন্তের প্রয়োজনে অভ্যন্তরীণ কাজ’ বলে উল্লেখ করেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মোটরসাইকেল চালক
- ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৫:২৪:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ধুলিয়াখাল বাইপাস সড়কে বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে জাহিদুল ইসলাম (৩০) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।
রোববার (১০ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জাহিদুল ইসলাম হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার মিরপুর এলাকার আব্দুল হামিদের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপুরে জাহিদুল ইসলাম মোটরসাইকেলযোগে ধুলিয়াখাল বাইপাস সড়ক পার হচ্ছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী জাহিদুল ইসলাম প্রাণ হারান।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও মোটরসাইকেলটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা আধুনিক জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ। এ ঘটনায় যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম 













































3 thoughts on “সিরাজগঞ্জ অনলাইন নিউজপোর্টাল এশিয়া পোস্টের শুভ উদ্বোধন”